মেনু নির্বাচন করুন

সরকারি জিয়া মাহিলা কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

0

১৯৭৯

সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ ইতিহাস

 

ফেনী শহরের পশ্চিম প্রান্তে, মহীপাল চত্বর থেকে পূর্বদিকে, এস.এস.কে সড়কের উত্তরপার্শ্বে হাজারো গাছ-গাছালির ছায়ায় ঢাকা, নানান জাতের পাখ-পাখালির কল-কাকলিতে মুখরিত, এক মনোলোভা মনোরম পরিবেশে আপন মহিমায় মাথা উঁচুকরে দাঁড়িয়ে আছে সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ।                 কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে যাঁদের নাম সর্বাগ্রে উচ্চারিত তাঁরা হলেন-ফেনীর রামপুরের অধিবাসী শ্রদ্ধেয় আবদুস সাত্তার, বিশিষ্ট সমাজসেবী এবং ফেনীতে নারী শিক্ষার অগ্রদূত মরহুমা রোকেয়া আজিজ (ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক শ্রদ্ধেয় আজিজ আহাম্মদ চৌধুরীর সহধর্মিনী) ও কাজী আনোয়ারা হোসেন। এই মহান সংগঠকদের সক্রিয় উদ্যোগ এবং ফেনীর শত শত মানুষের আর্থিক ও নৈতিক সমর্থনে গড়ে উঠেছিল ফেনী মহিলা কলেজ।

                   ০৮/০৯/১৯৮০ইং তারিখে ফেনীর ঐতিহাসিক রাজাঝির দীঘির পূর্ব পাড়ে পাবলিক লাইব্রেরির দোতলায় কলেজটির শুভ উদ্ধোধন হয়। পাবলিক লাইব্রেরির ০২টি এবং ফেনী ক্লাবের ০২টি কক্ষে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮০/৮১ শিক্ষাবর্ষ থেকে মাত্র ০৮জন ছাত্রী নিয়ে এ কলেজের শুভ যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮০ সালে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আট লক্ষ টাকাসহ ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিত্যক্ত জায়গা থেকে ০২ একর ৪৫ শতাংশ জমি কলেজের নামে বরাদ্দ দেন এবং এখানেই স্থাপিত হয় দ্বিতল বিশিষ্ট নতুন ভবন। ১৯৮১ সালের ৩০মে প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ হন। কলেজের নতুন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মরহুমের অসীম অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংগঠনিক কমিটি কলেজের নামকরণ করে সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ। ১৯৮২ সালে নতুন ভবনে কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তিতে কলেজ ক্যাম্পাসে যুক্ত হয় চারতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ক্যান্টিন, শহীদ মিনার, ছাত্রী নিবাস। ১৯৮৬ সালে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ফেনী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় কলেজটিকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন এবং পরের বছর অর্থাৎ ১৯৮৭ সালে কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়। শুরুর দিকে মাত্র ০৮জন ছাত্রী নিয়ে কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হলেও আজ কলেজ ক্যাম্পাস ছাত্রীদের পদচারনায় মুখরিত। বর্তমানে কলেজে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা; স্নাতক পর্যায়ে বিএসএস (পাস); রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ে অনার্স এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। প্রথমদিকে সম্মানিত শিক্ষকগণ এবং কলেজের পরিচালনা কমিটির সদস্যগণকে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ছাত্রী যোগাড় করতে হয়েছে। আজ শিক্ষার্থীদের মোট আবেদনের এক তৃতীয়াংশ ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের পছন্দ করার কতগুলো বাস্তব কারণ রয়েছে। প্রথমত : কলেজ ক্যাম্পাসটি ছায়া- সুশীতল ও নয়নাভিরাম, দ্বিতীয়ত : কলেজ ক্যাম্পাস অরাজনৈতিক ও সুনিশ্চিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তৃতীয়ত : শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ, চতুর্থত : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মননশীলতা বিকাশে অনুকূল পরিবেশ। সর্বোপরি পঞ্চমত : অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী এবং অফিসের  আন্তরিক ও পেশাদারিত্ব মনোভাব।

                   কলেজের শিক্ষার মান ও ফলাফল উত্তরোত্তর উন্নতি লাভ করতে করতে বর্তমানে ঈর্ষনীয় অবস্থায় উপনীতি। বিশেষ করে বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা এবং শিক্ষকগণের আন্তরিকতার কারণেই শিক্ষার্থীরা এরূপ ফলাফল অর্জন করতে স্বক্ষম হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতি বছরই এখানে একটি বড় সংখ্যক অনিয়মিত পরীক্ষার্থী যুক্ত হওয়ায় পাশের হার সন্তোষজনক মনে হয় না। কিন্তু অনিয়মিতদের বাদ দিয়ে হিসাব করলে কলেজের অবস্থান বোর্ডের অন্যান্য নামী-দামী কলেজের পর্যায়ে উন্নীত হয়। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষ জনক না হওয়ার অন্যতম কারণ শিক্ষক সংকট। কলেজের ০৩টি অনার্স বিষয় বাদ দিলে অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষকের পদ রয়েছে ০১-০২টি করে। আবার একদিকে পদোন্নতি জনিত কারণে পদগুলি শূণ্য হচ্ছে অপরদিকে শূন্য পদে পদায়ন না হওয়াতে পদগুলি দীর্ঘদিন খালিই রয়েগেছে। ২০০৫ সালে বোর্ড এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু করা হলেও অদ্যাবধি শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘদিন যাবত পদসৃষ্টির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ফলাফল যা-ই হোকনা কেন, এ কলেজ থেকে ফলাফল অর্জনের পর ছাত্রীরা দেশের সরকারি ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসসি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে নিজেদের এবং কলেজের গৌরব রক্ষা করতে স্বক্ষম হচ্ছে।

 

স্নাতক (পাস) পর্যায়ে ফলাফলও প্রশংসনীয় পর্যায়ে উপনীত। এ কলেজের ছাত্রীগণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে বিএসএস পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি অর্জনসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উত্তীর্ণ হচ্ছে।

 

বিএ অনার্স পর্যায়ে চূড়ান্ত ফলাফল আরো প্রশংসনীয়। এ ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় শ্রেণি ছাড়াই শুরু থেকে পাশের হার ১০০%। ২০০৯ সালে এ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ০১জন ছাত্রী প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। উল্লেখ্য যে, ইতিহাস বিভাগ সদ্য চালু হওয়ায় এই বিভাগ থেকে ২০১২ সালে ১ম ব্যাচ অনার্স পার্ট-১ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তবে অভ্যন্তরীন পরীক্ষায় ছাত্রীদের ফলাফল সন্তোষ জনক। ইতিহাস বিভাগে মেধাবী ছাত্রীদের ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহ-উদ্দীপনা আশাব্যঞ্জক।

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রশংসার অপেক্ষা রাখে না। এক্ষেত্রে প্রতিবছর পাশের হার ১০০%। বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয়ের কর্মকালে তাঁর উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং বিভাগীয় শিক্ষকগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গত ০৩ বছরে উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক প্রথম শ্রেণি অর্জন করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য যে, মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা-২০০৮ (ফলাফল প্রকাশ-২০১২) চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ সমূহের মধ্যে ১ম স্থান লাভের গৌরব অর্জন করে। এবছর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬জন ১ম শ্রেণি এবং ০৮জন ২য় শ্রেণিতে; সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ১৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০১জন ১ম শ্রেণি এবং ১৭জন ২য় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়। মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা-২০০৯ (ফলাফল প্রকাশ-২০১৩) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০৮জন ১ম শ্রেণি এবং ১২জন ২য় শ্রেণিতে; সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ২৫জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০৪জন ১ম শ্রেণি এবং ২১জন ২য় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে কলেজের গৌরবের ধারা অব্যাহত রেখেছে।

কলেজের অভ্যন্তরীন অবকাঠামোগত উন্নয়নে ফেনী সদর আসনের এম.পি শ্রদ্ধেয় ভি.পি জয়নাল, পৌর মেয়র শ্রদ্ধেয় নুরুল আবসার এবং শ্রদ্ধেয় মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারীর অবদান চিরস্মরনীয়। শ্রদ্ধেয় এম.পি ২০০২ সালে ০১টি দ্বিতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করেন যা ছাত্রী কমন রুম এবং ক্যান্টিন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া তিনি ২০০৭ সালে ছাত্রীদের খেলার মাঠ ভরাট করার জন্য টি.আর বরাদ্দ দিয়ে ছাত্রীদের কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ হন। জনাব নুরুল আবসার ২০০৭ সালে পৌরসভার অর্থায়নে কলেজের অভ্যন্তরিন সকল রাস্তা পাকা করে কলেজের ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মচারীর নিশ্চিন্তে পথ চলার সুযোগ করে দেন। তিনি বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয়ের অনুরোধে শ্রেণি কক্ষের চরম সংকটের বিষয়টি উপলব্দি করে পৌরসভার অর্থায়নে ২০১০ সালে ০১টি এক তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করেন। বর্তমান মেয়র, আধুনিক ফেনীর রূপকার, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী শ্রদ্ধেয় নিজাম উদ্দিন হাজারীও কলেজের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন। কলেজের ছাত্রী নিবাসের পয়:নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। ছাত্রীদের আবেদন এবং বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয়ের অনুরোধে মেয়র মহোদয় ২০১১ সালে পৌরসভার অর্থায়নে ছাত্রী হোস্টেল থেকে এস.এস.কে রোড পর্যন্ত পাকা ড্রেন নির্মাণ করেন এবং ছাত্রীদের খেলার মাঠ ভরাটের জন্য টি.আর বরাদ্দ দেন। কলেজে শ্রেণি কক্ষের সংকট নিরসনের লক্ষ্যে তিনি ২০১২ সালে ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ০১টি এক তলা বিশিষ্ট ভবন (অডিটোরিয়াম কাম শ্রেণি কক্ষ) নির্মাণ করেন এবং বেঞ্চ নির্মাণের জন্য ০১ লক্ষ টাকা অনুদান দেন। এছাড়া মেয়র মহোদয় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ০১টি গ্রন্থাগার নির্মাণ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

কলেজের একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার, রেডক্রিসেন্ট, ক্রীড়াবিদ সকলেই নিজ নিজ অঙ্গণে প্রশংসনীয় অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে। কিন্তু এত অজর্নের মধ্যেও দু’টি সমস্যা কলেজের সার্বিক অর্জনের পথে প্রতিনিয়ত বাধা সৃষ্টি করছে।

প্রথমত : শিক্ষক সংকট (খালি পদে পদায়ন ও নতুন পদ সৃষ্টি না হওয়া)

দ্বিতীয় : একাডেমিক ভবনের অভাব।

এই দু’টি সমস্যার সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ একটু উদারনীতি অনুসরন করলে সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ বাংলাদেশে নারী শিক্ষা বিকাশে একটি ‘‘বাতিঘরে’’ পরিণত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
প্রফেসর ডি এ বিলকিস আরা চৌধুরী 0 zmc_sskroadfeni@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব সেতারা আক্তার 0 ZMC_sskroadfeni@yahoo.com

সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ, ফেনী।

অধ্যয়নরত ছাত্রী সংখ্যা

 

একাদশ শ্রেণি                        শিক্ষাবর্ষ : ২০১৩-২০১৪

মানবিক-                         ৩০০

ব্যবসায় শিক্ষা-      ৩০০

বিজ্ঞান-               ১৪৫

          মোট- ৭৪৫

 

দ্বাদশ শ্রেণি                         শিক্ষাবর্ষ : ২০১২-২০১৩

মানবিক-                         ২৮৯

ব্যবসায় শিক্ষা-      ২৯৯

বিজ্ঞান-               ১৪২

          মোট- ৭৩০

 

 

বিএসএস পাস শ্রেণি :

১ম বর্ষ- ২৬০

২য় বর্ষ- ১৩০

৩য় বর্ষ- ১৫৪

মোট-   ৫৪৪

বিএসএস (সম্মান) শ্রেণি :

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান           

সমাজবিজ্ঞান

ইতিহাস

মোট

১ম বর্ষ

৫৮

৭৫

৩৫

১৬৮

২য় বর্ষ

৫৬

৩৬

০৪

৯৬

৩য় বর্ষ

৬১

৮৯

১৭

১৬৭

৪র্থ বর্ষ

৪৩

৬২

 

১০৫

                                                                                       মোট-

৫৩৬

 

মাষ্টার্স শেষ পর্ব :

রাষ্ট্রবিজ্ঞান           

সমাজবিজ্ঞান

মোট

৩৩

৩৬

৬৯

 

সর্বমোট ছাত্রী = ২৬২৪ জন

৯৮%

প্রযোজ্য নহে।

0



Share with :

Facebook Twitter